1. iliycharman7951@gmail.com : admin :
  2. iliaych.arman@gmail.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : নিজস্ব প্রতিবেদক
বুধবার, ১৬ জুন ২০২১, ০৫:০৮ পূর্বাহ্ন
Title :
লামায় ৪০ বছরের ভোগদখলীয় জায়গা জবরদখলের চেষ্টা, থানায় অভিযোগ প্রকাশিত মিথ্যা সংবাদের প্রতিবাদ বান্দরবানে বিশ্ববিদ্যালয়ের অসচ্ছল শিক্ষার্থীর মাঝে চেক বিতরণ চকরিয়ায় শেখ হাছিনার কারামুক্তি দিবস ও আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতিকে সংবর্ধনা নাইক্ষ্যংছড়িতে ২দিনে প্রায় সাড়ে ৩ কোটি টাকার ইয়াবা উদ্ধার, আটক-৪ চকরিয়ায় দুঃস্থ নারীদের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ চকরিয়া বদরখালীতে দিন দুপুরে ব্যবসায়ীকে আহত করে টাকা ছিনতাই চকরিয়ায় নৌকা প্রতীকের মেয়র প্রার্থীর উপর হামলা ও ভাংচুর,সংবাদ সম্মেলনে স্হানীয় এমপির বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ ফাইতং সমাজ সর্দারের ছেলের বিরুদ্ধে মোবাইল ফোন চুরির অভিযোগ লোহাগাড়া গৌড়স্থান নয়াপাড়া রাস্তার বেহাল দশা, দেখার যেন কেউ নেই!

চকরিয়ায় এক পৌর মহিলা কাউন্সিলের ছেলের নারী কেলেংকারী

নির্বাহী সম্পাদক কতৃক প্রকাশিত
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ৭ জানুয়ারী, ২০২১
  • ২৮০ Time View

চকরিয়া প্রতিনিধিঃ 

কক্সবাজারের চকরিয়া পৌরসভার ৭,৮,৯ নং ওয়ার্ডের মহিলা কাউন্সিলরের ছেলে এক অসহায় মহিলাকে বিয়ে করে কাবিন নামার টাকা বুঝিয়ে না দিয়ে অন্য আরেক টি মেয়েকে বিয়ে করে সংসার করা গুরুতর অভিযোগ করছেন ভুক্তভোগী সুমাইয়া আত্তার সুমি নামে এক অসহায় নারী।
এই বিষয়ে পৌরসভা ৭ নং ওয়ার্ডের বশির আহমেদের মেয়ে ভুক্তভোগী সুমি আক্তার চকরিয়া থানার সাবেক ওসি’র আমলে কয়েক দফা বিচার দিয়েও প্রভাবশালীদের ক্ষমতার অপব্যবহারে বিচার না পেয়ে সুষ্ঠু বিচারের আশায় প্রশাসনের দ্বারে দ্বারে ঘুরে বেড়াচ্ছে এই অসহায় নারী।
ভুক্তভোগী সুমি আক্তার বলেন-বিগত বছর দশেক আগে চট্টগ্রামের এরশাদ নামের এক ছেলেকে বিয়ে করে সুখে শান্তিতে বসবাস করে আসছি,মাঝে এরশাদ জীবিকার অন্বেষনে দুবাই চলে গেলে প্বার্শবর্তী এলাকায় ছেলে এখই ওয়ার্ডের মহিলা কাউন্সিলর আন্জুমান আরার ছেলে আবদুল মান্নান রানার সাথে আমার পরিচয় হয়,পরিচয়ের সুবাদে রানা আমার বাসায় প্রতিনিয়ত আসা যাওয়া করতে থাকে,এরই মধ্যে আমার সাবেক স্বামী এরশাদ বিষয়টি জেনে যাওয়ায় আমাকে ২ সন্তান সহ তালাক দেন।যার পরিপেক্ষিতে রানা আমাকে কাবিননামা মূলে বিয়ে করে।বিয়ের পর রানা আমার ২ সন্তানসহ আমাকে ভাড়া বাসায় রেখে সংসার করতে থাকে।একপর্যায়ে রানার মা’আমাদের বিষয়টি জেনে গিয়ে রানাকে বাধ্য করে আমাকে তালাক দিতে,যদিও আমি মোহরানা দাবী করলে ওই মহিলা কাউন্সিলর মারধরসহ মিথ্যা মামলার হুমকি ধামকি দিয়ে নিরবে তার ছেলেকে আরেকটা বিয়ে করান। রানার স্ত্রী সুমাইয়া আক্তার সুমি বলেন, দুইজনের বাড়ি চকরিয়া পৌরসভায় হলেও বিয়ের পর স্বামীর কর্মস্থল কক্সবাজারে ভাড়া বাসায় থাকতাম। গোপনে বিয়ে করার কারণে বিষয়টি উভয়ের পরিবার জানতো না। এরইমধ্যে আবদুল মান্নানের জন্য মেয়ে খুঁজতে থাকে তার পরিবার। এরপর থেকে আমার শ্বাশুড়ী মহিলা কাউন্সিলার আনজুমান আরা বেগম নানাভাবে চাপ প্রয়োগ করতে থাকে। পরিবারের অমতে বিয়ে করায় বেপরোয়া হয়ে উঠে ওই মহিলা কাউন্সিলার। বিবাহ বিচ্ছেদ করে আমাকে কাবিননামার টাকা বুঝিয়ে না দিয়ে ছেলেকে অন্যায় ভাবে ২য় বিয়ে করান।

গত ৭ জুলাই বিকাল ৪টার দিকে কক্সবাজার পাহাড়তলী এলাকায় কাউন্সিলার আনজুমান আরা বেগম তার লোকজন নিয়ে সেখানে আসেন। তার পুত্র আবদুল মান্নান রানাকে বিয়ে করার কী প্রমাণ আছে জানতে চান তিনি। আমি বিয়ের দশ লাখ টাকার কাবিনানামা ও দুইজনের সংসারের বিভিন্ন ছবি তার কাছে তুলে ধরি। এতে ক্ষিপ্ত হন কাউন্সিলার আনজুমান আরা বেগম। ওইসময় স্বামী আবদুল মান্নান রানা আমার উপর রেগে মারধর করতে থাকে। একপর্যায়ে শ্বাশুড়ী কাউন্সিলার আনজুমান আরা বেগম এবং শ্বশুর মাহমুদুল হকও তাকে মারধর করে।
সংসার পুনোওদ্ধারে জড়িতদের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা করছি।

মহিলা কাউন্সিলার আনজুমান আরা বেগম বলেন, তার পুত্র আবদুল মান্নান রানার সাথে সুমাইয়া আক্তার সুমীর বিবাহের বিষয় জানা নেই। তবে বিবাহের বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জেনেছি, কতটুকু সত্য জানি না,সুমী আমার আত্মীয় হয়। সুমীর সাথে এক প্রবাসীর বিয়ে হয়েছে। এতোদিন তারা কেন গোপন করলো। আমি সুমির সাথে রানার বিয়ের বিষয়টি না জেনে রানার সাথে ২য় বিয়ে দিই।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 LatestNews
Theme Customized BY Infobytesbd.com